বউদি পটানোর সহজ উপায়

বউদি কার না ভালো লাগে। বর্তমান সময়ে মেয়েদের সাথে সময় কাটানোর পাশাপাশি ছেলেরা এখন বউদি পাগল। বউদি থাকলে ছেলেদের আর কিছু লাগেনা। সে উমা বউদি হোক বা ঝুমা বউদি। ছেলেরা এখন পাগল বউদি প্রেমে।  প্রথমে বউদির সাথে গল্প তারপর নানা অছিলায় হাত ধরে ঘুড়তে যাওয়া,সিনেমা দেখা সেই সব তো আছেই। আর দাদা বাড়িতে না থাকলে সেই সুযোগে তো অনেক কিছুই হতে পারে। সেটা আর নাই বললাম। কিন্ত এইসব করতে গেলে তো আগে সেই বউদিটাকে বলতে হবে আপনার মনের কথা।

 অফিসের কলিগ, পাশের বাড়ির বউদি  কিংবা বন্ধুদের স্ত্রীর প্রশংসায় মুগ্ধ করে তোলেন । মনে হতে পারে এগুলো শুধুই প্রশংসাবাক্য। কিন্তু এর গভীরে লুকিয়ে থাকে অসৎ উদ্দেশ্য।

কিভাবে বউদি পটাবেন সেই সমস্ত কিছু টিপস দেওয়া হলো সেই সমস্ত দেওরদের জন্য

১. বউদি আপনি দুই বাচ্চার মা! আপনাকে দেখলে কেউ বিশ্বাসই করবে না। দেখে মনে হয়, মাত্র ইন্টারপাস করছেন! সিরিয়াসলি! – এ কথা শুনে ভাবি তো আহলাদে আট দু’গুণে ষোলখানা। একটু লজ্জা পেয়ে ভাবি বলেন, সেই সময় কি আর আছে, বয়স হয়েছে না!

২. বউদি একটা কথা বলবো অনেকদিন থেকে ভাবছি! কিন্তু হ্যাজিটেশন করে বলা হচ্ছে না। আপনি এমনিতেই সুন্দর। কিন্তু নাকের পাশের তিলটা আপনাকে একদম পরী বানিয়ে দিছে। এত্ত সুন্দর। জাস্ট অসাধারণ লাগে! – আপু তো শুনে একদম কাত। বলেন, ‘অ্যাঁ সত্যি বলছেন। আপনি আসলে সমাঝদার লোক!

৩. মন খারাপ কেন বউদি? দাদা ঝগড়া-টগড়া করলো নাকি?… আপনার মতো এরকম একটা মানুষের সাথেও ঝগড়া করা যায়? বিশ্বাসই হচ্ছে না! ভাবি দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলেন, ‘বইলেন না, আপনার দাদা কোনোদিন বোঝার চেষ্টাই করলো না।’

৪. একটা কথা বলি, কিছু মনে করবেন না তো? আপনার কণ্ঠটা এত্ত সুন্দর! কোনো প্রিয় গান বারবার শুনলেও যেমন বিরক্তি লাগে না, আপনার কথাবার্তার স্টাইলও এরকম। টানা ২৪ ঘণ্টা শুনলেও বোরিং লাগবে না! – একথা শুনে সুন্দর কণ্ঠওয়ালী তো আবেগে গদ গদ। বলেন, অ্যাঁ সত্যি বলছেন ভাই ? এই শুনছো ( স্বামীকে উদ্দেশ্য করে), দেখো কি বলছে। তুমি বুঝলে না আমাকে।

৫. আপনি যা ইচ্ছা মনে করতে পারেন, আজ থেকে আপনাকে আর আন্টি ডাকবো না, বলে দিচ্ছি। হুঁ! দেখলে মনে হয় আবার বিয়ে দেয়া যাবে , আর আপনাকে ডাকবো আন্টি? নাহ, আর নাহ! আন্টিতো স্কুলপড়ুয়া মেয়ে হয়ে যান । বলেন, ‘যা , আমারতো লজ্জা লাগছে। এভাবে কেউতো কখনো বলেনি, তাই!

৬. একটা কথা বলবো? নীল শাড়িতে আপনাকে দারু মানাচ্ছে!…না না, তেল দিচ্ছি না, সত্যি বলছি! সত্যি অনেকটা কোয়েল মল্লিকের মতো লাগে আপনাকে! -শুনে একেবারে ভিজে গেলেন। হাসতে হাসতে বলেন, ‘আপনার মুখে ফুল চন্দন পড়ুক।’

৭. জন্মদিনে কী কী করলেন আপনারা?….কি? দাদার অফিস?….কি যে বলেন!…. আমি এরকম একটা বউ পেলে জন্মদিন উপলক্ষ্যে এক সপ্তাহের ছুটি নিতাম!…হাইসেন না, সিরিয়াসলি! -শুনে তো থ। চোখ কপালে উঠে গেল। ধীরে ধীরে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন, ‘আমার ভাগ্যটাই খারাপ। আপনার মতন রোমান্টিক মানুষ পেলাম না!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here